
২০৫০ সালের বিজ্ঞান
১০০ বছরের ব্যাটারি!
ফোন চার্জে দিয়ে বসে থাকার দিন শেষ! ২০৫০ সালে আসতে পারে পারমাণবিক হীরার ব্যাটারি। একবার চার্জে চলবে টানা ১০০ বছর! আপনার নাতি-নাতনিও গেম খেলতে পারবে এই ফোনে।
ফিরে আসবে ম্যামথ!
বিলুপ্ত ম্যামথ আবার পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াবে! কলোসাল বায়োসায়েন্স জিন এডিটিংয়ের মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যেই এই অতিকায় প্রাণীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। রিয়েল লাইফ জুরাসিক পার্কের ফিলটা কেমন হবে ভাবুন তো!
প্রাণীদের সঙ্গে আড্ডা!
পোষা প্রাণীর সঙ্গে কথা বলার শখ? এআই এখন স্পার্ম তিমির ভাষা ডিকোড করছে। হয়তো একদিন চিড়িয়াখানায় গিয়ে বাঘ-সিংহের সঙ্গে সরাসরি খোশগল্প জুড়তে পারবেন!
গায়েব হবে প্রাইভেসি!
ধুলোর মতো ছোট স্মার্ট ডাস্ট সেন্সর ছড়িয়ে থাকতে পারে সবখানে। পরিবেশের পাশাপাশি আপনার সব গতিবিধিও নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করবে এগুলো। প্রাইভেসি বলে হয়তো তখন আর কিছুই থাকবে না!
পৃথিবীর ডিজিটাল যমজ!
বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর হুবহু একটা ডিজিটাল কপি বানাচ্ছেন। এর সাহায্যে আবহাওয়ার নিখুঁত পূর্বাভাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর আগেভাগেই জানা যাবে।
বিমানের বদলে ট্রেন!
এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে যেতে আর বিমান লাগবে না! ভ্যাকুয়াম টিউবের ভেতর দিয়ে ছুটবে হাইপারলুপ ট্রেন। গতি হবে ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটারের বেশি!
ভাসমান শহর!
বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ ঠিকানা হয়তো হবে মাঝদরিয়ায় স্বয়ংক্রিয় ভাসমান শহরে! পুরোদস্তুর স্বাধীন এসব শহরেই চলবে আমাদের জীবন।
ল্যাবে তৈরি মাংস!
কোনো প্রাণী হত্যা না করেই ল্যাবরেটরিতে তৈরি হবে একদম আসল মাংস। স্বাদ ও পুষ্টি থাকবে ষোলো আনা, সঙ্গে বাঁচবে পরিবেশও!
রক্তে ভাসবে রোবট!
২০৫০ সাল নাগাদ আমাদের রক্তনালিতে ঘুরে বেড়াতে পারে আণুবীক্ষণিক ন্যানোবট। এগুলো শরীরের ভেতর ঢুকে রোগজীবাণু ধ্বংস করবে, ক্যানসার কোষও গিলে খাবে! সিরিঞ্জ বা ওষুধের দিন হয়তো ফুরালো!
জাস্ট ভাবলেই মেসেজ!
টাইপ করার দিনও ফুরাবে। নিউরালিংকের মতো প্রযুক্তির সাহায্যে শুধু ভেবেই মানুষের মস্তিষ্ক থেকে মস্তিষ্কে মেসেজ পাঠানো যাবে!
কৌতূহল থামাবেন না!
বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি বা খেলাধুলার দারুণ সব লেখা পড়তে নিয়মিত ভিজিট করুন qaziakash.com। প্রতিদিন নতুন লেখা প্রকাশিত হচ্ছে।

২০৫০ সালের বিজ্ঞান
১০০ বছরের ব্যাটারি!
ফোন চার্জে দিয়ে বসে থাকার দিন শেষ! ২০৫০ সালে আসতে পারে পারমাণবিক হীরার ব্যাটারি। একবার চার্জে চলবে টানা ১০০ বছর! আপনার নাতি-নাতনিও গেম খেলতে পারবে এই ফোনে।
ফিরে আসবে ম্যামথ!
বিলুপ্ত ম্যামথ আবার পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াবে! কলোসাল বায়োসায়েন্স জিন এডিটিংয়ের মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যেই এই অতিকায় প্রাণীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। রিয়েল লাইফ জুরাসিক পার্কের ফিলটা কেমন হবে ভাবুন তো!
প্রাণীদের সঙ্গে আড্ডা!
পোষা প্রাণীর সঙ্গে কথা বলার শখ? এআই এখন স্পার্ম তিমির ভাষা ডিকোড করছে। হয়তো একদিন চিড়িয়াখানায় গিয়ে বাঘ-সিংহের সঙ্গে সরাসরি খোশগল্প জুড়তে পারবেন!
গায়েব হবে প্রাইভেসি!
ধুলোর মতো ছোট স্মার্ট ডাস্ট সেন্সর ছড়িয়ে থাকতে পারে সবখানে। পরিবেশের পাশাপাশি আপনার সব গতিবিধিও নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করবে এগুলো। প্রাইভেসি বলে হয়তো তখন আর কিছুই থাকবে না!
পৃথিবীর ডিজিটাল যমজ!
বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর হুবহু একটা ডিজিটাল কপি বানাচ্ছেন। এর সাহায্যে আবহাওয়ার নিখুঁত পূর্বাভাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর আগেভাগেই জানা যাবে।
বিমানের বদলে ট্রেন!
এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে যেতে আর বিমান লাগবে না! ভ্যাকুয়াম টিউবের ভেতর দিয়ে ছুটবে হাইপারলুপ ট্রেন। গতি হবে ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটারের বেশি!
ভাসমান শহর!
বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ ঠিকানা হয়তো হবে মাঝদরিয়ায় স্বয়ংক্রিয় ভাসমান শহরে! পুরোদস্তুর স্বাধীন এসব শহরেই চলবে আমাদের জীবন।
ল্যাবে তৈরি মাংস!
কোনো প্রাণী হত্যা না করেই ল্যাবরেটরিতে তৈরি হবে একদম আসল মাংস। স্বাদ ও পুষ্টি থাকবে ষোলো আনা, সঙ্গে বাঁচবে পরিবেশও!
রক্তে ভাসবে রোবট!
২০৫০ সাল নাগাদ আমাদের রক্তনালিতে ঘুরে বেড়াতে পারে আণুবীক্ষণিক ন্যানোবট। এগুলো শরীরের ভেতর ঢুকে রোগজীবাণু ধ্বংস করবে, ক্যানসার কোষও গিলে খাবে! সিরিঞ্জ বা ওষুধের দিন হয়তো ফুরালো!
জাস্ট ভাবলেই মেসেজ!
টাইপ করার দিনও ফুরাবে। নিউরালিংকের মতো প্রযুক্তির সাহায্যে শুধু ভেবেই মানুষের মস্তিষ্ক থেকে মস্তিষ্কে মেসেজ পাঠানো যাবে!
কৌতূহল থামাবেন না!
বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি বা খেলাধুলার দারুণ সব লেখা পড়তে নিয়মিত ভিজিট করুন qaziakash.com। প্রতিদিন নতুন লেখা প্রকাশিত হচ্ছে।