Qazi Akash Logo
কাজী আকাশ

তিমির শব্দ কি কোনো ভাষা, এর কি কোনো অর্থ আছে

কাজী আকাশ৩০ আগস্ট, ২০২৬৭ মিনিট

একটি কৌতূহলী হাম্পব্যাক তিমি ক্যামেরার দিকে এগিয়ে আসছে। পুরুষ তিমিদের নতুন নতুন গান গ্রহণের প্রবণতা থেকে ধারণা করা হয়, এই প্রজাতি নতুনত্ব পছন্দ করে। ছবি: গেটি ইমেজ

২০১৫ সাল। কানাডার সুমেরু অঞ্চলের প্রত্যন্ত সামারসেট দ্বীপের বরফজমাট উপকূল। চারপাশ এমন ঘন আর কনকনে কুয়াশায় ঢাকা যে, নিজের হাতটাই ঠিকমতো দেখা যায় না। ঠিক সেই বরফগলা পানির ধারে ছোট্ট একটা তাঁবু খাটিয়ে বসে আছেন তিমি গবেষক ভ্যালেরিয়া ভারগারা। তাঁবুর ভেতর থেকে একটি তার টেনে পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছেন একটা হাইড্রোফোন। এই যন্ত্রের সাহায্যে পানির নিচের শব্দ শোনা যায়।

তাঁর তাঁবুর চারপাশের উপসাগরে তখন প্রায় হাজারখানেক বেলুগা তিমি ও তাদের সদ্য জন্ম নেওয়া সাবক ঘুরে বেড়াচ্ছে। সুমেরুর ওই ঘোলাটে ও অন্ধকার পানিতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখার একটাই উপায়—অবিরাম বকবক করা!

তাঁবুর ভেতরে বসে ভারগারা যখন হাইড্রোফোনের হেডফোনটা কানে লাগালেন, তাঁর মনে হলো তিনি যেন অন্য এক জগতে এসে পড়েছেন। চারপাশ থেকে ভেসে আসছে অদ্ভুত সব ক্লিক, শিস, গোঙানি এবং তীক্ষ্ণ সব আওয়াজ। কুয়াশায় অন্ধ হয়ে তাঁবুতে বসে থাকা ভারগারা হঠাৎ একটা চরম সত্য উপলব্ধি করলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, এই তিমিগুলোও পানির নিচে অনেকটা এরকমই এক ঘোলাটে পরিবেশের মধ্যে বাস করে। অথচ শুধু শব্দের ওপর ভর করে তারা একে অপরের উপস্থিতি কতটা তীব্রভাবে টের পায়!

ভারগারার ভাষায়, ‘সেদিন হঠাৎ করেই ওদের প্রতি একটা অদ্ভুত মায়া এবং সমমর্মিতা অনুভব করলাম। বুঝতে পারলাম, শব্দের জগতে বেঁচে থাকার আসল মানেটা ঠিক কী।’

কুয়াশায় ঘেরা তাঁবুর ভেতর অন্ধকারে বসে ছিল ভ্যালেরিয়া ভারগারা

১৯৪৯ সালে প্রথমবারের মতো তিমির গান রেকর্ড করার পর থেকেই বিজ্ঞানীদের কাছে এই বিশাল সামুদ্রিক প্রাণীদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এক চরম বিস্ময়ের জায়গা। এরা কেন এত বকবক করে? এদের এই ভাষার কি কোনো মানে আছে? সবচেয়ে বড় কথা, এই ভাষা উদ্ধার করে কি আমরা এই বুদ্ধিমান প্রাণীদের বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারি? 

দুই

কানাডার পরিবেশবিষয়ক দাতব্য সংস্থা রেইনকোস্ট কনজারভেশন ফাউন্ডেশনের সিটাসিয়ান (তিমি ও ডলফিনজাতীয় প্রাণী) গবেষণা কর্মসূচির পরিচালক ভ্যালেরিয়া ভারগারা। ডক্টরেট করার সময় তিনি তিমি শাবকদের নিয়ে কাজ শুরু করেন। তখনই তিনি একটা চমৎকার ব্যাপার খেয়াল করলেন।

মানব শিশুরা যেমন বড়দের কথা শুনে শুনে আধো-আধো বোলে কথা বলতে শেখে, বেলুগা তিমির ছানারাও ঠিক তাই করে! বেলুগা তিমিরা এমনিতে এত বেশি কথা বলে যে, নাবিকেরা এদের নাম দিয়েছেন সমুদ্রের ক্যানারি পাখি। ভারগারা দেখলেন, একটি বেলুগা শাবকের পুরোপুরি তাদের নিজস্ব ভাষা শিখতে প্রায় দুই-তিন বছর সময় লেগে যায়। শুরুতে তারা খুব আনাড়ি থাকে। মানব শিশুদের মতোই তারা শব্দ নিয়ে খেলা করে, বকবক করে অনর্থক।

এই শিক্ষানবিশ পর্যায়ে তারা সবচেয়ে প্রথমে যে জিনিসটা নিখুঁতভাবে শেখে, তা হলো নিজেদের অ্যাকোস্টিক নেম ট্যাগ। মানে শব্দের তৈরি একটি বিশেষ নাম। অর্থাৎ, নিজেদের পরিচয় দেওয়ার জন্য তারা একটা বিশেষ আওয়াজ করে। কিন্তু বিপত্তিটা অন্য জায়গায়। ভারগারার গবেষণায় দেখা গেল, বাচ্চা বেলুগাদের এই পরিচয়জ্ঞাপক আওয়াজ করার ক্ষমতা পূর্ণবয়স্কদের চেয়ে ১৮ গুণ কম!

আপনি হয়তো ভাবছেন, তাতে সমস্যা কী? সমস্যা হলো জাহাজ ও লঞ্চের ইঞ্জিনের বিকট শব্দ। ইঞ্জিনচালিত নৌযানের শব্দের কারণে বাচ্চা তিমিদের সেই ক্ষীণ আওয়াজ হারিয়ে যায়। ফলে বিশাল দলের ভেতর কোনো বাচ্চা যদি একবার তার মায়ের থেকে আলাদা হয়ে যায়, তবে শব্দের মাধ্যমে তাকে আর খুঁজে পাওয়ার কোনো উপায় থাকে না। সে চিরতরে হারিয়ে যায়।

ভারগারার এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই ২০১৮ সালে কানাডা কর্তৃপক্ষ একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। তারা বেলুগা তিমিদের প্রধান বিচরণক্ষেত্রগুলোতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে, যাতে ওই ছোট্ট তিমি ছানাদের ক্ষীণ ও আধো-আধো ডাকগুলো সাগরের পানিতে হারিয়ে না যায়। এটিই হলো ধ্বনিতাত্ত্বিক গবেষণার আসল ম্যাজিক!

তিন

বেলুগারা নাহয় একটু বেশিই কথা বলে, কিন্তু অন্য তিমিদের বেলায় কী ঘটে?

কানাডার স্যালিশ সাগরের কাছে ৭৪টি বিপন্ন অর্কা বা কিলার তিমির একটি বিশেষ দল ঘুরে বেড়ায়। এদের নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। কিন্তু এদের শিস বা তীক্ষ্ণ আওয়াজের মানে কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। এখন বিজ্ঞানীরা ড্রোন থেকে নেওয়া ভিডিওর সঙ্গে ওই আওয়াজগুলো মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন। উদ্দেশ্য একটাই—কোন আওয়াজটা তারা শিকারের সময় করে, আর কোনটা খাবার ভাগাভাগি করার সময় করে, তা বের করা।

একসময় বিজ্ঞানীদের মধ্যে এটা নিয়ে বেশ তর্কবিতর্ক ছিল যে, তিমিদের কি আসলেই নিজস্ব কোনো সংস্কৃতি আছে? কারণ, মানুষের বাইরে অন্য কোনো প্রাণীর নিজস্ব সংস্কৃতি থাকতে পারে, এটা অনেকেই মানতে চাইতেন না। কিন্তু এখন এটা প্রমাণিত, তিমিদেরও অঞ্চলভেদে নিজস্ব উপভাষা আছে।

এই সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় এবং রহস্যময় উদাহরণ হলো পুরুষ হাম্পব্যাকের গান। এরা শব্দগুলোকে রীতিমতো সাজিয়ে বাক্যাংশ তৈরি করে। তারপর সেগুলো বারবার গেয়ে একটা থিম বানায়, এবং সবশেষে কয়েকটি থিম জুড়ে দিয়ে তৈরি করে একটা পূর্ণাঙ্গ গান!

স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. এলেন গারল্যান্ড দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের হাম্পব্যাক তিমিদের এই গান নিয়ে কাজ করছেন। তিনি এই গানকে কোনো অর্কেস্ট্রার সিম্ফনির সঙ্গে তুলনা করেছেন। পুরুষ তিমিরা ঠিক কেন গান গায়, তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে মজার ব্যাপার হলো, প্রতিটি দলের একটি নির্দিষ্ট গান থাকে। তারা সেই গানের সুর বদলায়, নতুন থিম যোগ করে এবং একটা পুরো গানের দলের মতো সবাই মিলে একসঙ্গে সেই গান গায়।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই গান রীতিমতো ‘ভাইরাল’ হয়! ড. গারল্যান্ড দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট গান দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে পার্শ্ববর্তী তিমিদের দলের মধ্যে জাদুর মতো ছড়িয়ে পড়ে।

গারল্যান্ডের ভাষায়, ‘একটা মৌসুমের মধ্যেই একটা দল তাদের পুরোনো গান পুরোপুরি ফেলে দিয়ে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে একদম নতুন একটা গান শিখে নেয়। এটা অনেকটা নিজেদের জাতীয় সংগীত বাদ দিয়ে পাশের দেশের গান গাওয়ার মতো ব্যাপার!’

মানুষের পর প্রাণীজগতের আর কোথাও এত দ্রুত এবং পুরো দলজুড়ে এমন সংস্কৃতির পরিবর্তনের নজির নেই। এটা অনেকটা আমাদের দুনিয়ার পপ মিউজিক বা নতুন কোনো ফ্যাশন ট্রেন্ডের মতো নয় কি!

চার

এবার আসা যাক স্পার্ম তিমির কথায়। যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির গবেষক টেলর হার্শ প্রশান্ত মহাসাগরের স্পার্ম তিমিদের নিয়ে কাজ করছেন। এই তিমিগুলো বেশ শান্তশিষ্ট এবং এদের সমাজটা মেয়েদের কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।

স্পার্ম তিমিরা গান গায় না, তারা যোগাযোগের জন্য একধরনের জটিল ‘ক্লিক’ শব্দ ব্যবহার করে। অনেকটা টেলিগ্রাফের মোরস কোডের মতো। এই ক্লিকগুলোর প্যাটার্নকে বলা হয় ‘কোডা’। প্রতিটি কোডাতে আলাদা আলাদা সংখ্যা, বিন্যাস ও ছন্দের ক্লিক থাকে।

হার্শ এবং তাঁর দল দেখতে পান, প্রশান্ত মহাসাগরের স্পার্ম তিমিদের প্রতিটি দলের নিজস্ব একটি বিশেষ কোডা আছে। এই কোডা দিয়ে তারা নিজেদের আলাদা পরিচয় তুলে ধরে। হার্শ এর নাম দিয়েছেন আইডেন্টিটি কোডা।

তিমিরা কেন এমনটা করে? হার্শ মজার ছলে একটা উদাহরণ দিয়েছেন। ধরুন, আপনি বিদেশে কোথাও ঘুরতে গেছেন। সেখানে গিয়ে হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন, ‘বাংলাদেশি!’ পাশ থেকে অন্য কেউ সাড়া দিয়ে বলে উঠল, ‘বাংলাদেশি! বাংলাদেশি!’ স্পার্ম তিমিদের এই আইডেন্টিটি কোডাও অনেকটা এরকম। বিশাল সাগরের বুকে অন্য কোনো দলের মুখোমুখি হলে তারা নিজেদের দলের পরিচয়টা এভাবেই নিশ্চিত করে।

একটি স্পার্ম তিমি। প্রতিটি ক্ল্যানের নিজস্ব স্বতন্ত্র শব্দের মিশ্রণ রয়েছে। ছবি: সেটি

স্পার্ম তিমিদের এই কোডাগুলো নিয়ে বিজ্ঞানীরা এতটাই আগ্রহী যে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগর ছাড়াও আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের তিমিদের ভাষা বোঝার জন্য গ্লোবাল কোডা ডায়ালেক্ট প্রজেক্ট নামে বিশাল এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করছেন, এই শব্দগুলোর সঙ্গে তিমিদের খাদ্যাভ্যাস বা চলাফেরার কোনো সম্পর্ক আছে কি না।

পাঁচ

তিমিদের ভাষার এই জটিল ধাঁধা সমাধানের চেষ্টায় এবার বিজ্ঞানীরা যুক্ত করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ডোমিনিকান রিপাবলিকের উপকূলে স্পার্ম তিমিদের ওপর কাজ করছে প্রজেক্ট সেটি নামে একটি অলাভজনক গবেষণা সংস্থা। তারা তিমিদের যোগাযোগের অডিও রেকর্ডিংগুলো মেশিন-লার্নিং এআইয়ের কাছে ছেড়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য হলো, এদের ভাষার নতুন কোনো প্যাটার্ন খুঁজে বের করা এবং ভবিষ্যতে তা মানুষের ভাষায় অনুবাদ করা!

এই প্রজেক্টের ভাষাবিদ হিসেবে আছেন গাসপার বেগুশ। তাঁর নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী চমকপ্রদ একটি তথ্য আবিষ্কার করেছেন। তাঁরা দেখেছেন, স্পার্ম তিমিদের কিছু কোডার মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গাগুলো সরিয়ে দিলে, সেগুলোর শব্দ আর ক্লিকের মতো শোনায় না; বরং মানুষের ভাষার স্বরবর্ণের মতো শোনায়!

অর্থাৎ, বিজ্ঞানীরা এখন স্পার্ম তিমির নিজস্ব একটা ফোনেটিক অ্যালফাবেট তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন। ইতিমধ্যে তাঁরা ১৫৬টি স্বতন্ত্র কোডা শনাক্ত করতে পেরেছেন। শুধু তা-ই নয়, ডোমিনিকান উপকূলের তিমিরা জাহাজের ইঞ্জিনের শব্দের তীব্রতা অনুযায়ী নিজেদের কোডার ছন্দ ও কম্পাঙ্কও পরিবর্তন করে ফেলে। মানে, তাদের এই ক্লিকগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ আছে এবং তারা পরিস্থিতি বুঝে সচেতনভাবে কথা বলে।

তাহলে কি আমরা একদিন তিমিদের সঙ্গে কথাও বলতে পারব?

হাইড্রোফোন হাতে প্রজেক্ট সিটির ডুবুরিরা। গবেষকেরা আশা করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তিমিদের ভাষার যথেষ্ট ধরণ শনাক্ত করা সম্ভব হবে, যা একসময় তাদের ভাষা অনুবাদের পথ খুলে দিতে পারে। ছবি: সেটি

বিজ্ঞানীদের অনেকেই এই ধারণাটিকে বিতর্কিত মনে করেন। কিছু গবেষক সাগরের নিচে স্পিকারের মাধ্যমে রেকর্ড করা শব্দ বাজিয়ে তিমিদের সঙ্গে কথোপকথনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দেখা গেছে, এতে তিমিদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান বাধাগ্রস্ত হয় এবং তারা মারাত্মক মানসিক চাপে ভোগে। তাই এ ধরনের প্লেব্যাক পরীক্ষা এখন নৈতিকভাবে অনুচিত বলে ধরা হয়।

ভ্যালেরিয়া ভারগারার মতে, তিমিদের সঙ্গে কথা বলার এই বাসনাটা আসলে মানুষের একধরনের অহংকার। তিনি বলেন, ‘আমরা তিমিদের সঙ্গে কথা বলব, এই আইডিয়াটা প্রমাণ করে যে আমরা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চাই। কোনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হতে হলে কি সেটা আমাদের নিজেদেরই করতে হবে?’

তার চেয়ে বরং এই তিমিদের নিজস্ব জগতটাকে বুঝতে পারাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভাষা যে শুধু মানুষেরই একচেটিয়া অধিকার, সেই ধারণাটা আজ ভাঙতে শুরু করেছে। গাসপার বেগুশের মতে, ‘ভাষা যদি অন্য প্রাণীরও থাকে, তবে আইনিভাবে তাদেরও মানুষের মতো বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার দেওয়া উচিত।’ যেমনটা নিউজিল্যান্ডের মাওরি বা পলিনেশিয়ান আদিবাসীরা ইতিমধ্যে তিমিদের আইনিভাবে ‘ব্যক্তি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সেই কনকনে ঠান্ডায় তাঁবুতে বসে ভ্যালেরিয়া ভারগারা সেদিন ঠিক এই কথাটাই ভেবেছিলেন। তিমিরা আমাদের কী বলবে, সেটা বড় কথা নয়; বরং শব্দের ওই বিশাল কারুকাজ দিয়ে তারা কীভাবে এই অনন্ত জলরাশিতে বেঁচে আছে, সেটাই আসল বিস্ময়। ওদের সেই ভাষাটা বুঝতে পারলেই হয়তো আমরা এই অসাধারণ প্রাণীগুলোকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারব!

**** 

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, রেইনকোস্ট কনজারভেশন, প্রজেক্ট সেটি ও লাইভ সায়েন্স

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যসমূহ

লগইন করা ব্যবহারকারীরা এই ব্লগে মন্তব্য করতে পারবেন।

লোড হচ্ছে
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।